জয় দিয়ে লিগ পর্ব শেষ করলো খুলনা টাইটানস

প্রকাশের সময়: ৮:৩৮ অপরাহ্ন - মঙ্গল, ডিসেম্বর ৫, ২০১৭

bpl

স্পোর্টস লাইফ, ডেস্ক : লিগ পর্বের শেষ ম্যাচ জয় দিয়ে শেষ করলো খুলনা টাইটানস। শীর্ষে থাকা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১৪ রানে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে গেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।

আগেই পরের পর্ব নিশ্চিত হয়ে আছে খুলনার। কিন্তু পরের পর্বে খেলতে প্রতিটি জয়ই এখন গুরুত্বপূর্ণ। তাই কুমিল্লাকে ১৭৫ রানের বড় লক্ষ্য ছুড়ে দেয় শুরুতে ব্যাট করে। উল্টো দিকে শুরুটা ভালো ছিল না কুমিল্লার। ওভারের তৃতীয় বলে খুলনা অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর বলে আচমকা বোল্ড হন সলোমন মির। বল হাল্কা ছুঁয়ে গিয়েছিল স্টাম্প। তাতেই বোল্ড হয়ে ফেরেন মির।

প্রাথমিক ধাক্কার পর ইমরুল কায়েস ও তামিম ইকবাল মিলে সেই ধাক্কা সামাল দেন। ধীরে ধীরে এই জুটি দাঁড়াতে চেষ্টা করেছিল। কিন্তু পর পর খুলনার বোলিং নৈপুণ্যে সাজঘরে ফেরেন ২০ রানে ব্যাট করতে থাকা ইমরুল ও ৩৬ রান করা তামিম। তামিমের ৩৩ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার।

এরপর জশ বাটলারও থিতু হতে পারেননি। দলীয় ৯০ রানে ফিরলে জয়ের আশা মিইয়ে যায় কুমিল্লার। তবে আশা জাগানোর চেষ্টা করেছিলেন শোয়েব মালিক ও মারলন স্যামুয়েলস। কিছুক্ষণ পিটিয়ে রানের ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেছিলেন। ২৩ বলে ৩৬ রান তুলে তার প্রমাণও দিয়েছিলেন। কিন্তু মোহাম্মদ ইরফানের বলে ভুল শটে তালুবন্দি হন মাহমুদউল্লাহর। মারলন স্যামুয়েলস ২৫ রানে ক্রিজে থাকলেও শেষ দিকে তেমন কিছুই করতে পারেনি কুমিল্লা। এর আগে বিদায় নেন ক্রেমার (০) ও রকিবুল হাসান (১৭)। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ১৬০ রানে শেষ হয় কুমিল্লার ইনিংস।

খুলনার পক্ষে সর্বোচ্চ ২টি করে উইকেট নেন আবু জায়েদ ও বেনি হাওয়েল। একটি করে নেন ব্র্যাথওয়েট, মোহাম্মদ ইরফান ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।  ম্যাচসেরা হন আরিফুল হক।

আজকের ম্যাচে শুরুতে টস জিতে ব্যাট করে শেষ দিকের ঝড়ে ৬ উইকেটে ১৭৪ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।  খেলতে নেমে উড়ন্ত সূচনা ছিল রিয়াদদের।  ৬ ওভারে স্কোর বোর্ডে জমা হয় ৫৫ রান।  ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ছিলেন আগ্রাসী।  ৪টি চার ও ২টি ছয়ে ২১ বলে তুলে ফেলেন ৩৭ রান।  উল্টো দিকে সঙ্গী ক্লিঙ্গার ছিলেন ধীর-স্থির।  নাজমুলকে ৩৭ রানেই বোল্ড করে এই আগ্রাসন থামান আল আমিন। এরপর ক্লিঙ্গারও থিতু হতে পারেননি।  স্কোর বোর্ডে কিছু রান জমা করে দলীয় ৮৭ রানে সলোমন মিরের বলে তামিমকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।  তার স্কোর ছিল ২৮ বলে ২৯ রান।  এই উইকেট পতনের পর রানের চাকা সচল রাখার চেষ্টা করেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও নিকোলাস পুরান।  যদিও খুব বেশি মেরে খেলতে পারেননি অধিনায়ক।  ২৩ বলে ২৩ রান তোলার পরই উইকেটের পেছনে আল আমিনের বলে ক্যাচ দিতে বাধ্য হন।  ততক্ষণে স্কোর ছিল ৯৫ রান।  এরপর ১০৩ রানে পুরানকে স্টাম্পড করান শোয়েব মালিক।

মাঝে রানের চাকা কিছুটা ধীর গতির হলে শেষ দিকে গতি বাড়ান ব্র্যাথওয়েট ও আরিফুল হক। তাদের ব্যাটে ভর করেই মোট স্কোরের শেষ ফিফটি আসে ২৬ বলে। ব্র্যাথওয়েট দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হওয়ার আগে ১২ বলে করেন ২২ রান। যাতে ছিল ৩টি চার ও একটি ছয়।

অপরদিকে শেষ বলে ফিরে যাওয়ার আগে ২১ বলে ৩৫ রান করেন আরিফুল। যেখানে ছিল ৪টি চার ও একটি ছয়। এছাড়া বেনি হাওয়েল ৩ বলে ২ চারে অপরাজিত থাকেন ৯ রানে।

কুমিল্লার  পক্ষে ৪ ওভারে ৫২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন আল আমিন। একটি করে নেন শোয়েব মালিক ও সলোমন মির।

উপরে