আড়াই দিনেই বিধ্বস্ত বাংলাদেশ

প্রকাশের সময়: ৮:৪১ অপরাহ্ন - রবি, অক্টোবর ৮, ২০১৭

00

স্পোর্টস লাইফ, ডেস্ক : ব্লুমফন্টেইন টেস্টে বাংলাদেশ ৬৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়েছিল প্রথম ইনিংসে। দ্বিতীয় ইনিংসে ষষ্ঠ উইকেট গেলো ১৩৯ রানে। তুলনামূলকভাবে প্রথম ইনিংসের চেয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ‘ভালো’ খেলছে বাংলাদেশ। তবে স্কোর তখনই বলে দিয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ আরেকটি লজ্জা পেতে যাচ্ছে। তারপর বেশিদূর যেতে পারেনি সফরকারীরা। ৩৩ রানে হারিয়েছে শেষ ৪ উইকেট। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে ৪২.৪ ওভারে ১৭২ রানে অলআউট বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৫৭৩ রান করা প্রোটিয়ারা জিতলো ইনিংস ও ২৫৪ রানে।

এ জয়ে ২-০ তে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করলো দক্ষিণ আফ্রিকা। পচেফস্ট্রুমে প্রথম টেস্টে ৩৩৩ রানে হেরেছিলো বাংলাদেশ।

ইমরুল কায়েস ৬ ও সৌম্য সরকার ১ রানে রবিবার মাঠে নামেন। তৃতীয় দিন তৃতীয় ওভারেই কাগিসো রাবাদার শিকার হন সৌম্য (৩)। দুই ইনিংসে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে তিনি ফাফ দু প্লেসিসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন।

ওখানেই শেষ নয়। লাঞ্চের আগে ব্যাটিং বিপর্যয়ের শিকার হয়ে আরও তিন ব্যাটসম্যান সাজঘরের পথ ধরেন- মুমিনুল হক (১১), ইমরুল (৩২) ও মুশফিকুর রহিম (২৬)। মুমিমনুলকে কেশব মহারাজের ক্যাচ বানান রাবাদা। ডুয়েন অলিভিয়েরের বলে কট বিহাইন্ড ইমরুল। ওয়েন পারনেলের এলবিডাব্লিউর ফাঁদে পড়েন মুশফিক।

লাঞ্চের আগে ৯২ রানে ৪ উইকেট হারানো বাংলাদেশের হাল এবারও ধরেন লিটন দাস, অপর প্রান্তে মাহমুদউল্লাহ। তাদের ৪৩ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েছিল সফরকারীরা। প্রথম ইনিংসে ৭০ রান করা লিটন এবার ১৮ রানেই আউট। অ্যান্ডিল ফেলুকোয়াইয়োর বলে তিনি বোল্ড হলে আবার টালমাটাল বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। ১০ রানের ব্যবধানে হারায় আরও ৪ উইকেট।

মাহমুদউল্লাহকে (৪৩) ফিরিয়ে টেস্টের শততম উইকেট নেন রাবাদা। টানা দুই ওভারে সাব্বির রহমান (৪) ও তাইজুল ইসলাম (২) উইকেট হারান। দু প্লেসিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেলুকোয়াইয়োর দ্বিতীয় শিকার সাব্বির। তাইজুলকে বোল্ড করে রাবাদা টানা দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যান। সেই লক্ষ্য তিনি পূরণ করেন রুবেল হোসেনকে (৭) বোল্ড করে। দুই ইনিংসে ২৪.৫ ওভার বল করে ৬৩ রান দিয়ে রাবাদা নেন ১০ উইকেট। ফেলুকোয়াইয়ো তার দশম ওভারের চতুর্থ বলে মোস্তাফিজুর রহমানকে বোল্ড করলে বাংলাদেশ হারায় তাদের শেষ উইকেট। দ্বিতীয় সেশনে মাত্র ১৬.৪ ওভার খেলেই শেষ ৬ উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা। ম্যাচে আয়ু ছিল আড়াই দিন।

রাবাদার দুর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্য তো বটেই, তৃতীয় দিন দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি সময়েই জয় নিশ্চিত করতে ফেলুকোয়াইয়ো অবদান রাখেন তিন উইকেট নিয়ে।

ম্যাচসেরা হয়েছেন রাবাদা, আর সিরিজের সেরা ডিন এলগার।

উপরে